কখনোই বলিনি

কখনোই বলিনি, ভেবেছিলাম বলবোও না কোনদিন। নিশ্চয় একদিন বুঝবে তুমি কতটা জুড়ে ছিলাম। যতটানা আমার সহ্য ক্ষমতা, তুমি তাঁর থেকেও বেশি কষ্ট আমাকে দিয়েছ। সমস্থ বেলা তোমার অগ্রাহ্য পেয়েছি। মানুষ একটা সময় ভাবে ভালোবাসার জন্য এতোটুকু সেক্রিফাইস করতে হয়। করতে হয় কারণ ওই মানুষটা দিকে তাকিয়েও তো আমার বেঁচে থাকা। ওকে ভালোবাসি বলেই তো এ পৃথিবীর সবকিছু এতো ভালো লাগে।

একটু একটু করে তোমার চলে যাওয়া দেখতে আর আমি পারছিনা। পারছিনা এদেহে প্রাণ রাখতে। রাখতে ইচ্ছে করছে তোমার তোমার পায়ের কাছে। হ্যাঁ, আমার একটা সময় মনেহয় যদি এ হৃদয় তোমার পায়ের কাছে রেখে নতজানু হয়ে থাকতে পারতাম সবসময়। তাহলে হয়তো তুমি থাকতে আমাকে জড়িয়ে। ভুলে যেতে চাইতে না। সমস্থ দিন একা বোকার মতো তোমার নিভৃতে চলে যাওয়া দেখতে হতো না।

বরুণা, অনেক তো হল
এবার না হয় মুখটা তোল
তীক্ষ্ণ চোখে চাইতে দাও নির্ভয়ে
নখের আঁচড়ে ছিন্ন করো না,
করো ঠোঁটের পরশে।

এই পৌষ শীতে চাইনা আমি রেশমের উষ্ণতা
চাইছি ও বুকের মাঝে কমল সুখের উষ্ণতা।

তোমার একটিবার ফিরে চাওয়া,
আমার হাজারবারের বেঁচে উঠা।
তোমার একটিবারের হাঁসি,
আমার সর্গ ছুড়ে ফেলা।

নিকোটিনের ত্রাসে হৃদয় ভরেছে বিষে
পারছি না আর থাকতে বিষে
তোমায় চাইছি নিজের মাঝে।

অনেক তো হল!
বরুণা, এবার না হয় মুখটা তোল।

জানি ইহা সত্য নহে। ঘটবে না ক্রান্তি কালে।
তুমি যাহা ছিলে সত্যি তাহাই ঠিক রবে।

Advertisements

রেইনকোট

বলতে বলতে চলে যাওয়া, না পাওয়া সেই ছুয়ে যাওয়া
আকাশ চোখের রেইনকোটে, একলা একাই ভিজে যাওয়া
তোমার বয়স বাড়ছে খুকি, আমি হচ্ছি ছোট…!!!

এনামুল খান
২৪-০১-২০১৬ইং

অবনী, মনে পড়ে।

শুকনো গোলাপের পাপড়ি গুলো আজও মনের ভাজে গন্ধ বিলিয়ে যাচ্ছে।
সেই কবেই তোমার আমার ছন্দ ছিন্ন হয়ে গেছে।
ভিন্ন হয়ে গেছে তোমার আমার চলার পথ।
তোমার আমার বলার ভাষা আজ অন্য।
তোমার জন্য হন্যে হয়ে দুপুর রোদে ঘুরেছি কত।
দেখা পাবো বলে অপেক্ষার চোখে বেধেছি কালো কাপড়।
চৈত্রের দুপুরে তোমার চোখে মুখে পেয়েছি শীতলতা।
তোমার মোলায়েম হাঁসিতে ভুলেছি অপেক্ষার অন্যায় বহতা।

—অবনী, মনে পড়ে, তুমি অধর ছুঁয়ে বলেছিলে;”এ স্পর্শ কখনো মুছে যাবে না।”
আমি আজও অনুভব করি তুমি মিশে আছ আমার সমস্থ জুড়ে।

এনামুল খান
১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০১৫

অনুরন

আপন আঁধারে ডুপছি আমি সমস্থ দিন একা।
তোমার আশার দিন গুনছি, তবুু আলোর পাইনা দেখা।
সিঙ্কধ কোমল হাঁসি মুখের আদর পাইনা এখন।
তোমার জন্য রেখেছি খুলে মনের জানলা সবই।
আউলা কেশে মিষ্টি হেঁসে এসো মনে ঘরে। 
ওষ্ঠ আধোর চুম্বনেতে আগমনী প্রজন্ম।

এসব নিয়েই ভাবছি ডুপছি হারাচ্ছি সব।
তবু, আঁধার কাটে না তো।
ওই স্মৃতি গুলোই রুমন্থিত হচ্ছে সারাক্ষণ।
আসবে কবে কালবৈশাখী উঠবে নতুন সূর্য।
স্মৃতি কে সব ছুড়ে ফেলে, বাঁচবো আমি দিব্য।…

 

এনামুল খাঁন

ডিসেম্বর ২৩, ২০১৪ইং

 

কাক কবি !

রাত্রিরে,
চামচিকে হাসে,
নিকোটিন বুকে নিয়ে কাক কবি কাশে।

জুলাই ২১, ২০১৬

নারী | এনামুল খাঁন

নারী তুমি নরম নন্দিত নিরাশ নি-হৃদয়।
নারী তুমি ভোর সকালের পাখির ডাক।
নারী তুমি রং ধনুর সাতটি রং।
নারী তুমি জন্মধাত্রী এ ধরার।

নারী তুমি কি?
জানিয়েছো, কাও কে কখনো?, নাকি নিজেও জানো না।

২০১০, ০১ জানুয়ারি

তরুস্পর্শতা | এনামুল খাঁন

যেই হাত আমায় ছেড়ে দিয়েছে বারবার,
আমি সেই হাত ধরতে চেয়েছি হাজারবার।
যেই হাতে হাত রাখবো বলে দেখেছি হাজার স্বপ্ন,
সেই হাতে’রি তৈরি পথে আমি দেখেছি এক বাস্তব দুঃস্বপ্ন।
তবু সেই হাত ধরার আশা আজো থেমে নেই…
আজো স্বপ্ন দেখে চলি সেই হাতের,
একটু আদরের,
একটু কোমলতার,
একটু ভালবাসার স্পর্শের,
যা হয়তো পাবো না কোনদিন।
তবু আমি থেমে নেই…
থেমে নেই আমার ভালবাসা…
থেমে নেই আমার অশ্রুধারা…
এনামুল খান
২০১৩, ১০ জুলাই।